বুধবার, ২২ মে ২০২৪

তীব্র তাপদাহে পুরছে সারা বাংলাদেশ

মোঃ তৌহিদ হাসান
বগুড়া জেলা প্রতিনিধি

বৃষ্টির জন্য ব্যাকুল বাংলাদেশের প্রতিটা অঞ্চলের মানুষ। বৃষ্টির আশায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের লোকজন আদায় করছেন,ইছতেখার নামাজ।
রৌদ তাপদাহ এতটাই বেশি যে, বিগত বছরে কখনো এত তাপ দাহ কেউ দেখেনি।বেড়েছে হিট স্টক সহ নানা ধরনের রোগব্যাধি। এই তীব্র তাপদাহে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে খেটে খাওয়া ও দিনমজুর মানুষ।
মাঠ, ঘাট ফসলের জমি সহ দেখা মিলেছে রাস্তার পিচ গলা। তীব্র তাপদাহে থাকার কারণে অনেকে শরবত কোমল পানি ঠান্ডা ও তরমুজ খেয়ে তাদের৷ শারীরিক তীব্রগরম কমানোর চেষ্টা করছে।
গরমকে নিবারণ করার জন্য বগুড়ায় বেরেছে ফ্যান, ফ্রিজ, এসি ও ঠান্ডা ইলেকট্রনিক্স পণ্যের বিক্রি । তবে শোরুমগুলোতে দেখা দিয়েছে বিগত দিনের চেয়ে এসি বিক্রির পরিমাণ বেশি।
খেটে খাওয়া মানুষ ও সাধারণ জনগণের আগ্রহ বেড়েছে ডাব, তরমুজ,ও শরবত জাতীয় পানির। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবক দল ও বিভিন্ন সংগঠন থেকে প্রতিদিনই ফ্রি খাওয়ানো হচ্ছে শরবত, স্যালাইন ও ঠান্ডা পানি

সরজমিনে বগুড়ার বিভিন্ন স্হান ঘুরে দেখা যায়,বগুড়ার কোর্ট চত্তর ও সাত মাথা স্থানে ডাব বিক্রেতারা জানান, দিনে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকার ডাব বিক্রয় করছেন তারা। ডাব বিক্রেতা বাবু জানান, আগের তুলনায় এই গরমে বৃদ্ধি পেয়েছে ডাবের বিক্রয় প্রতিটি ডাব ৮০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১৩০ টাকা দামে বিক্রি করছেন তারা।
তরমুজ প্রতি কেজি ৪৫ টাকা থেকে ৫০ টাকা বিক্রয় করতে দেখা গিয়েছে। রৌদের তীব্রতা কমানোর জন্য বেরেছে আখের রস ও শরবতের চাহিদা। প্রতি গ্লাস আখের রস বিক্রয় করতে দেখা গেছে ২০ টাকা থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত।
এছাড়াও বগুড়া আশেপাশে রয়েছে অনেক, দইয়ের ঘোল দ্বারা তৈরি মাঠা, প্রতি গ্লাস মাঠা ২০ টাকা এবং ১ লিটার ১৪০ টাকা বিক্রয় করতে দেখা গিয়েছে।
অপরদিকে বেড়েছে, মিছরির বিক্রয়। রাজা বাজারে ঘুরে প্রতি কেজি মিছরি বিক্রয় করতে দেখা যায় পাইকারি বাজারে ১৪৪ খুচরা বাজারে ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা। এছাড়াও মুদির দোকানে বেড়েছে ঠান্ডা পানি ও কোল্ড ড্রিংস বিক্রয়।
রিক্সা চালক মোঃ মনসুর আলী জানান, গরমে তীব্রতা এত বেশি যে সূর্যের তাপের সঙ্গে বাতাসের ভাবসা গরম বেড়েছে দ্বিগুণ। সব মিলে প্রখর রৌদে জীবন পার করা খুব কষ্টদায়ক হয়ে উঠেছে। এদিকে ২৯ শে এপ্রিল রোজ সোমবার পর্যন্ত, সর্বনিম্ন ২৬ ও সর্বোচ্চ ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ।

থেকে আরও পড়ুন

থেকে আরও পড়ুন