বুধবার, ২২ মে ২০২৪

টুঙ্গিপাড়ায় অসহায় কৃষকের ধান কেটে ঘরে তুলে দিলেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা,

মোঃ মিরাজুল শেখ,স্টাফ রিপোর্টার

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় তপ্ত দুপুরে প্রচণ্ড গরম উপেক্ষা করে অসহায় কৃষকের ধান কেটে ঘরে তুলে দিয়ে ফের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে ছাত্রলীগ।

মঙ্গলবার বেলা আট টার দিকে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি শামছুল হক ও সাধারণ সম্পাদক লিংকন মোল্লার নেতৃত্বে উপজেলার পাটগাতি ইউনিয়নের কাকইবুনিয়ার দরিদ্র কৃষক দীপক বিশ্বাসের এক বিঘা জমির ধান কেটে দেন ছাত্রলীগ নেতারা। এ সময় আরও অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

দীপক বিশ্বাস বলেন, বর্তমানে কৃষি শ্রমিকের মজুরি অনেক বেশি। টাকা না থাকায় জমির পাকা ধান কাটতে পারছিলাম না। এ নিয়ে ভীষণ দুশ্চিন্তার মধ্যে ছিলাম। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা প্রচণ্ড গরমের মধ্যে আমার জমির পাকা ধান কেটে বাড়িতে তুলে দিয়েছেন। এতে আমার খুবই উপকার হয়েছে। আমি অনেক খুশি হয়েছি। এজন্য আমি বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের কাছে কৃতজ্ঞ। আমি সবার জন্য দোয়া করেছি।

উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লিংকন মোল্লা বলেন,আমরা টুঙ্গিপাড়া উপজেলা ছাত্রলীগ আজ কৃষকের পাশে এসে ধান কেটে ঘরে তুলে দিয়েছি। এবং যদি কোন অসহায় কৃষক থাকেন আমাদের কে বললে আমরা তার ধানও কেটে দেব ইনশাল্লাহ।ছাত্রলীগ সব সময় দেশের ক্লান্তি লগ্নে দেশের দুঃসময়ের ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে ১৯৭১ সালের মুক্তিযোদ্ধা এবং বাংলাদেশের জনগণ দুঃসময়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দুর্ভোগ ও অসময় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সবসময় পাশে থেকেছে।তার ধারাবাহিকতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশে আজকে উপজেলা ছাত্রলীগের টুঙ্গিপাড়া পাঁচটি ইউনিট ও পৌর আমরা সবাইকে সাথে নিয়ে কৃষকের ধান কেটে ঘরে তুলে দিয়েছি।এবং কোন অসহায় কৃষকের আগামীতে ধান কাটার প্রয়োজন হয় আমাদের জানালে আমরা কেটে দিবো।

উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শামছুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমরা উপজেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অসহায় এক কৃষক ভাইয়ের জমির পাকা ধান কেটে বাড়িতে তুলে দিয়েছি। এতে ওই কৃষক ভাইয়ের অনেক উপকার হয়েছে। আমরা সহযোগিতা না করলে তাকে ধান কেটে বাড়িতে উঠাতে অনেক বেগ পেতে হতো। এর আগেও আমরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এ ধরনের কাজ করেছি। প্রচণ্ড রোধের মধ্যে আমাদের একটু কষ্ট হয়েছে। তারপরও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা একজন দরিদ্র কৃষকের পাশে দাঁড়াতে পেরে আমরা খুব আনন্দিত ও স্বস্তি বোধ করছি।

থেকে আরও পড়ুন

থেকে আরও পড়ুন