ঢাকা সোমবার, ০২ অক্টোবর ২০২৩
১৭ আশ্বিন ১৪৩০ বাংলা
শিরোনাম:
মধুপুরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায়, অবরুদ্ধ ৬০টি পরিবার, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে টুঙ্গিপাড়া প্রেসক্লাব, সিনিয়র সাংবাদিক আসিফ কাজল ভাইয়ের জন্মদিন, যে মাটিতে জীবনের শৈশব থেকে কৈশর কেটেছে, সে মাটির গন্ধ কখনো ভোলা যায় না, শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন অ্যাডভোকেট জানে আলম মিনা, চিন দেশে উইঘর মুসলিমদের নির্যাতন ও হত্যার প্রতিবাদে পঞ্চগড় সচেতন নাগরিকরা সংগঠনের ব্যানারে বিক্ষোভ সমাবেশ মানব বন্ধন অনুষ্টিত, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে শিশুর মৃত্যু, জুড়ী থানায় ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে  বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে নবনিযুক্ত ডিএমপি কমিশনারের শ্রদ্ধা, ঘাটাইল উপজেলায় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উদযাপন,

জুড়ীতে মামলার সাক্ষী হওয়ায় মধ্যযুগীয় বর্বরতা, গ্রেফতার ১,

মোঃ জাকির হোসেন স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০১:৫৪:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ জুলাই ২০২৩ ৭২ বার পড়া হয়েছে

মোঃ জাকির হোসেন স্টাফ রিপোর্টের

 

 

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে মামলার সাক্ষী হওয়ায় সাক্ষীর পিতার উপর মধ্যযুগীয় বর্বরতা চালানো হয়েছে। ঘটনাটি শুক্রবার (৭ জুন) রাত সাড়ে ১১ টায় জুড়ী উপজেলার ৫নং জায়ফরনগর ইউনিয়নের মনতৈল গ্রামে ঘটেছে।

জানা গেছে, মনতৈল গ্রামের প্রবাসী ইলিয়াস মিয়ার স্ত্রী আয়া বেগমের উপর ১০ জুন মদরিছ আলীর ছেলে পুতুল মিয়া,মজমিল আলী,জুবেল মিয়া, সিরাজ মিয়াসহ একদল সন্ত্রাসী দিন দুপুরে হামলা চালিয়ে লুটপাট করে। আয়া বেগমের মামলায় আব্দুল মতিন মজুমদার ওরফে (কুটিমুটি) ছেলে নাহিদুল ইসলাম সাক্ষী হওয়ায় ঘটনার দিন ইউনুছ মিয়ার ছেলে কাজল মিয়া (৩৫) বিলাল মিয়া (৩২) মদরিচ আলীর ছেলে পুতুল মিয়া (৩৫) আছির আলীর ছেলে গিয়াস মিয়া (৩৮) শাওন (২০), ইস্তিয়াকসহ ১০/১২ জনের একটি সঙ্ঘবদ্ধ সন্ত্রাসী দল দেশীয় দা, লাঠি সোঠা নিয়ে আব্দুল মতিনের বাড়ীতে উপস্থিত হয়ে নাহিদুলকে খুঁজতে থাকে। তাকে না পেয়ে তার পিতা আব্দুল মতিনকে মধ্যযুগীয় কায়দায় শিকল দিয়ে হাত পা বেঁধে রেখে তার ওপর হামলা চালায়। আব্দুল মতিন চিৎকার করলে তাকে বাঁচাতে ভয়ে কেউ এগিয়ে আসেনি। এ সময় তার শিশু সন্তান রাফিউল ও মনি বাবাকে বাঁচাতে সন্ত্রাসীদের হাতে পায়ে ধরে তাদের মন গলাতে পারেনি। সন্ত্রাসীরা দা দিয়ে কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত জেনে চলে যায়। খবর পেয়ে জুড়ী থানার এসআই ফরহাদের নেতৃত্বে একদল পুলিশ আব্দুল মতিনকে উদ্ধার করে জুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে আব্দুল মতিনের অবস্থা গুরুতর বলে চিকিৎসকরা জানান।
এ ঘটনায় আব্দুল মতিনের ছেলে নাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে কাজল মিয়াকে প্রধান আসামি করে শিবার জুড়ী থানায় একটি মামলা ( নং – ২ তাং ৮,৭,২০২৩ ইং) দায়ের করে।
জুডী থানার অফিসার ইনচার্জ মোশাররফ হোসেন বলেন, হামলার ঘটনায় প্রধান আসামি কাজল মিয়াকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে মৌলভীবাজার জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জুড়ীতে মামলার সাক্ষী হওয়ায় মধ্যযুগীয় বর্বরতা, গ্রেফতার ১,

আপডেট সময় : ০১:৫৪:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ জুলাই ২০২৩

মোঃ জাকির হোসেন স্টাফ রিপোর্টের

 

 

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে মামলার সাক্ষী হওয়ায় সাক্ষীর পিতার উপর মধ্যযুগীয় বর্বরতা চালানো হয়েছে। ঘটনাটি শুক্রবার (৭ জুন) রাত সাড়ে ১১ টায় জুড়ী উপজেলার ৫নং জায়ফরনগর ইউনিয়নের মনতৈল গ্রামে ঘটেছে।

জানা গেছে, মনতৈল গ্রামের প্রবাসী ইলিয়াস মিয়ার স্ত্রী আয়া বেগমের উপর ১০ জুন মদরিছ আলীর ছেলে পুতুল মিয়া,মজমিল আলী,জুবেল মিয়া, সিরাজ মিয়াসহ একদল সন্ত্রাসী দিন দুপুরে হামলা চালিয়ে লুটপাট করে। আয়া বেগমের মামলায় আব্দুল মতিন মজুমদার ওরফে (কুটিমুটি) ছেলে নাহিদুল ইসলাম সাক্ষী হওয়ায় ঘটনার দিন ইউনুছ মিয়ার ছেলে কাজল মিয়া (৩৫) বিলাল মিয়া (৩২) মদরিচ আলীর ছেলে পুতুল মিয়া (৩৫) আছির আলীর ছেলে গিয়াস মিয়া (৩৮) শাওন (২০), ইস্তিয়াকসহ ১০/১২ জনের একটি সঙ্ঘবদ্ধ সন্ত্রাসী দল দেশীয় দা, লাঠি সোঠা নিয়ে আব্দুল মতিনের বাড়ীতে উপস্থিত হয়ে নাহিদুলকে খুঁজতে থাকে। তাকে না পেয়ে তার পিতা আব্দুল মতিনকে মধ্যযুগীয় কায়দায় শিকল দিয়ে হাত পা বেঁধে রেখে তার ওপর হামলা চালায়। আব্দুল মতিন চিৎকার করলে তাকে বাঁচাতে ভয়ে কেউ এগিয়ে আসেনি। এ সময় তার শিশু সন্তান রাফিউল ও মনি বাবাকে বাঁচাতে সন্ত্রাসীদের হাতে পায়ে ধরে তাদের মন গলাতে পারেনি। সন্ত্রাসীরা দা দিয়ে কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত জেনে চলে যায়। খবর পেয়ে জুড়ী থানার এসআই ফরহাদের নেতৃত্বে একদল পুলিশ আব্দুল মতিনকে উদ্ধার করে জুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে আব্দুল মতিনের অবস্থা গুরুতর বলে চিকিৎসকরা জানান।
এ ঘটনায় আব্দুল মতিনের ছেলে নাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে কাজল মিয়াকে প্রধান আসামি করে শিবার জুড়ী থানায় একটি মামলা ( নং – ২ তাং ৮,৭,২০২৩ ইং) দায়ের করে।
জুডী থানার অফিসার ইনচার্জ মোশাররফ হোসেন বলেন, হামলার ঘটনায় প্রধান আসামি কাজল মিয়াকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে মৌলভীবাজার জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে