সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪

চট্টগ্রামের চিনির কারখানার আগুন ২০ ঘণ্টারও বেশি সময় হয়েছে নেভানো যায়নি

মোঃশাহাদাত হোসেন স্টাফ রিপোর্টার

 

 

এখনো ও কারখানা  ভিতর থেকে এক ধরনের বিকট শব্দ আসছে। চট্টগ্রাম কর্ণফুলীতে একটি চিনির কারখানায় আগুন জ্বলছে বিশ ঘন্টা অতিক্রম হলেও এখনো পুরোপুরি আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। এবং ভেতর থেকে থেমে থেমে বিকট শব্দ শোনা যাচ্ছে। ফায়ার সার্ভিস এর পক্ষ থেকে আগুন নিয়ন্ত্রণের কথা বলা হলেও কিন্তু এখন পর্যন্ত আগুন জ্বলছে। মঙ্গলবার দুপুর একটা পঞ্চাশ মিনিট পর্যন্ত কারখানা  ভিতরে আগুন জ্বলতে দেখা গেছে

ফায়ার সার্ভিসের ১৬ টি ইউনিট নৌবাহিনী বিমানবাহিনী সেনাবাহিনী কোস্টগার্ড পুলিশ সদস্যরা আগুন নির্বাপনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ফায়ার সার্ভিসের কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেলে রকর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম জানান সোমবার ৪ মার্চ রাত তো দশটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে পুরোপুরি আগুন নির্বাপন হয়নি।

ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স এর চট্টগ্রাম উপ-পরিচালক দিন মনিশর্মা বলেন অপরিশোধিত চিনি গুলো দাহ পদার্থ হওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যাগ পেতে হয়েছে। অন্যান্য গোড়ান গুলোতে যাতে আগুন ছড়িয়ে না পড়ে সেদিকে আমরা সতর্ক দৃষ্টি রাখছি। এদিকে কর্ণফুলী ইচ্ছা নগরের চিনির কারখানা পরিদর্শনে গেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন আগুন নিয়ন্ত্রনে আনার পর তদন্ত সাপেক্ষে কারো গাফিলাতি থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এবং আগে সোমবার রাত নটার দিকে বিভাগীয় কমিশনার মোঃ তোফায়েল ইসলাম ও জেলা প্রশাসক আবুল বাশার মোঃ ফখরুজ্জামান ঘটনা স্টল পরিদর্শন করেন। পরে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে প্রধান করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে সাংবাদিকদের তিনি বলেন তদন্ত প্রতিবেদন পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সোমবার ৪ মার্চ চারটার দিকে এই আগুন লাগে কারখানায়। ও মিলের কর্মকর্তা বলেছেন চিনির মিলের ছয়টি গোডাউন রয়েছে।

এই গোডাউনেও রাখা অপরিশোধিত চিনি রাখা ছিল। কিন্তু কিন্তু আগুনে পুড়ে এগুলো একদম নষ্ট হয়ে যায়। আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে ফায়ার সার্ভিস এর পক্ষ থেকে কিছু না জানালেও বৈদ্যুতিক শট সার্কিট থেকে আগুনে সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করছেন মিলের কর্মচারীরা ঘটনা স্টলে প্রত্যক্ষদর্শী লোকজন জানান অগ্নিকাণ্ডের পরপর আগুন এর লেলিহান ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে চিনির কারখানার গোডাউনে। কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাসুমা জান্নাত জানান চিনির কারখানায় আগুন নির্বাপনে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিমান বাহিনী কোস্টগার্ড পুলিশ সহ প্রায় ১০০ সদস্য নৌবাহিনীর ১২ সদসসের টিম কোস্ট গার্ড পুলিশ সহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সহোতাকরেছেন।

থেকে আরও পড়ুন

থেকে আরও পড়ুন