বুধবার, ২২ মে ২০২৪

ঘাটাইল উপজেলার কৃতি সন্তান আতাউর রহমান খান এমপি,

মোঃ মশিউর রহমান, সিনিয়র রিপোর্টারঃ

 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক আদর্শ ও দর্শন বুকে ধারণ করে বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে সফল রাষ্ট্রনায়ক, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মমতাময়ী নেত্রী, বিশ্বমানবতার বাতিঘর, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা, দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার রূপকল্প “উন্নত বাংলাদেশ” বিনির্মাণে অঙ্গীকারবদ্ধ। টাংগাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার কৃতি সন্তান আতাউর রহমান খান। বর্তমানে তিনি টাংগাইল-০৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য। তাঁর পিতার নামঃ মরহুম আব্দুল হালিম খান ও মাতার নামঃ মরহুমা ফাতেমা আক্তার খানম। তাঁর স্ত্রীর নামঃ ফাতেমা রহমান খান।তিনি পেশায় ছিলেন একজন ডি.জি.এম. (অবসরপ্রাপ্ত), বাংলাদেশ সোনালী ব্যাংক। তাঁর স্থায়ী ঠিকানাঃ বাসা/হোল্ডিং নং-৪৫৬, গ্রাম/রাস্তা- কলেজ পাড়া, কাগমারী সড়ক, ডাকঘর, টাংগাইল -১৯০০ সদর, টাংগাইল এবং বর্তমান ঠিকানাঃ ভবন নং-০৪, ফ্ল্যাট নং-১০১, সাংসদ সদস্য ভবন, মানিক মিয়া এভিনিউ, শেরে-ই বাংলা নগর, ঢাকা । তাঁর জন্ম তারিখঃ ০৪ এপ্রিল, ১৯৪১। তাঁর ধর্মঃ ইসলাম ও জন্ম সূত্রে তিনি বাংলাদেশী। তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরঃ ৫৯৬৭৭৬৩৬১৫। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ বি.এ. (স্নাতক)। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ১৩২, টাংগাইল- ০৩ (ঘাটাইল) আসন হতে বিপুল পরিমাণ ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্য। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ তথা টাংগাইল জেলা শাখার কার্যকরী পরিষদের একজন সম্মানিত সদস্য। তিনি টাংগাইল করোনেশন ড্রামাটিক ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। বর্তমানে তিনি এ ক্লাবের সভাপতি। তিনি টাংগাইল জেলা ক্রিড়া সংস্থার সম্মানিত সদস্য ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক। টাংগাইল পাবলিক লাইব্রেরীর আজীবন সদস্য। তিনি টাংগাইল রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির আজীবন সদস্য। তিনি টাংগাইল জেলা শৌখিন মৎসশিকারী সমিতির সহ-সভাপতি। তাঁর পরিবারের সকল সদস্যই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের আদর্শের ধারক ও বাহক। তাঁর বড় ভাই- মরহুম শামসুর রহমান খান শাহজাহান। মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার নেতৃত্বে গঠিত মুক্তিযুদ্ধকালীন ময়মনসিংহ উত্তর-পূর্বাঞ্চল নিয়ে ১১ নম্বর সেক্টরের জোনাল কাউন্সিলের চেয়ারম্যান। সাবেক জাতীয় পরিষদ সদস্য (এমএনএ), সাবেক সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, টাংগাইল জেলা আওয়ামীলীগের আমৃত্যু সভাপতি। জোষ্ঠ ছেলে- শহীদ আমিনুর রহমান খান বাপ্পী টাঙ্গাইলের তরুণ আওয়ামী লীগ নেতা, ২০০৩ সালের ২১ নভেম্বর (২৭ রমজান), বিএনপি- জামায়াত ও গামছা বাহিনীর চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের হামলায় শহীদ হন। (শহীদ আমিনুর রহমান খান বাপ্পীর শোকসভায় টাংগাইল পৌর উদ্যানে জননেত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে বলেছিলেন, যে দেশে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয় নাই সেই দেশে তিনি তাঁর পুত্র হত্যার বিচার পাবে আশা করে না। যেইদিন বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হবে তিনি মনে করবেন সেইদিনই তাঁর পুত্র হত্যার বিচার পেয়েছেন। তাঁর এক পুত্রকে হত্যা করা হয়েছে বিদায়, তিনি তাঁর চার পুত্রকে আওয়ামীলীগের জন্য উৎসর্গ করলেন।মেজো ছেলে- আমানুর রহমান খান রানা দুইবারের জনপ্রিয় সাবেক সংসদ সদস্য-১৩২, টাংগাইল-০৩ (ঘাটাইল)। সেজো ছেলে- জাহিদুর রহমান খান কাকন সাবেক জাতীয় ফুটবলার সাবেক সভাপতি, টাংগাইল চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিস। সাবেক মহাসচিব, টাংগাইল জেলা বাস, মিনি বাস মালিক সমিতি।ছোট ছেলে- সহিদুর রহমান খান মুক্তি সাবেক মেয়র, টাংগাইল পৌরসভা। সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, টাংগাইল পৌর শাখা। সাবেক আহ্বায়ক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ টাংগাইল জেলা শাখা। কনিষ্ঠ ছেলে- সানিয়াত খান বাপ্পা সাবেক সহ সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ। ভিপি, সরকারি সা’দত কলেজ ছাত্র সংসদ। মামলা, নির্যাতন ও কারাবরণঃ ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় এবং ১/১১, সেনাবাহিনী শাসিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জননেত্রী শেখ হাসিনা মুক্তি আন্দোলনের সময় মামলা ও জেলে কারাবন্দি ছিলেন আতাউর রহমান খান এমপি। অন্যান্য রাজনৈতিক বিষয়ঃ তাঁর বড় ভাই বিশিষ্ঠ রাজনিতিক ব্যক্তি শামসুর রহমান খান শাহজাহানের সুবাধে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সানিধ্যে পাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে। ছাত্র জীবনে সামরিক সরকার আয়ুব খান বিরোধী আন্দোলন সংগ্রাম, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ সহ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রাম ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত সকল প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন এবং করে যাবেন এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। তিনি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাংগাইল-০৩ (ঘাটাইল) আসন থেকে আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী। তাই তিনি সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।

থেকে আরও পড়ুন

থেকে আরও পড়ুন