সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪

গোপালগঞ্জে প্রভাবশালী ভূমিদস্যুদের ক্ষপ্পরে পড়ে পথে বসেছি অভিযোগে মোমরেজ কাজীর পরিবার

মোঃ তপু শেখ গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

 

 

গোপালগঞ্জে জেলার সদর উপজেলার মৌলভিপাড়ার আমজাদ কাজীর ছেলে মোঃ মোমরেজ কাজীর স্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, গোপালগঞ্জ খানা পাড়ার বাটুমিয়ার ছেলে বুলগান মিয়া, তার ভায়েরা ভাই হাবিব ও ইকবাল মিয়া প্রতারনা করে আমাদের জমি বিক্রি করে দেবার কথা বলে জমি বিক্রয়ের টাকাটা আত্মসাৎ করেছে।
তিনি এক ভিডিও সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে বলেন আমার স্বামী মোমরেজ কাজী গত ১লা জানুয়ারী ২০২৪ এ আসুস্থবস্থায় মারা জান।আমার স্বামী ও আমার পরিবারের সাথে ওদের তিন জনের খুব ভাল সম্পর্ক ছিল। মারা যাওয়ার পূর্বে আমার স্বামীর আসুস্থ্যবস্থায় টাকার প্রয়োজন হলে আমার স্বামী করারগাতী মৌজার জে.এল নং-১০২, খতিয়ান নং=৬৯৭, দাগ নং- ৩৫২১ ও ৩৬৪২ দাগের ৫৮ শতাংশ জমি বিক্রয় করার ইচ্ছা প্রকাশ করিলে।তারা আমার স্বামীর অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে একটি কাগজে সই করিয়ে নিয়ে নিজেদের নামে জমির পাওয়ার অফ এ্যাটনি করে জমি বিক্রয় করে ফেলে।এর মধ্যে গোপালগঞ্জ কুয়াডাঙ্গা রেডিও সেন্টারের পাশে ৩৪ শতাংশ ও কুয়াডাঙ্গা রেল লাইনের পাশে ২৪ শতাংশ মোট ৫৮ শতাংশ জায়গা তারা বিক্রয় করে যার মুল্য কোটি টাকার বেশি।তারা আমার পরিবারের কাছে নগদ টাকা দিয়েছে ৬ লক্ষ, ওদের একজনের ফার্নিচারের দোকান আছে সেখান থেকে এক লক্ষ টাকার ফারর্নিচার দিয়েছে। বাকি জমি বিক্রয়ের টাকাটা আজ দিব কাল দিব করে দিচ্ছে না। এ ব্যপারে আমার স্বামী বেঁচে থাকতে গোপালগঞ্জ থানায় বাদী হয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন্। আমরা টাকা চাইতে গেলে ওরা বিভিন্ন প্রকার হুমকী প্রদর্শন করে আসছে। আমি আমার প্রকৃত টাকাটাতো পাইনাই উলটো ওদের ভয়ে দিন কাটাইতেছি।

ভিুক্তভোগী মোমরেজ কাজীর স্ত্রী আরো বলেন, আমার স্বামীর জমি বিক্রয়ের সম্পূর্ন টাকা পেতে চাই। আমার মেয়ে কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করে, অভাবের তাড়নায় আমার এক ছেলে আটো বাইক চালায়, আমর আর এক ছেলে বাবা মারা যাওয়ার পর প্রতিবন্ধী প্রায়। সংসার চালাতে হিমসিম খাচ্ছি। আমি বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, সেই সাথে সংস্লিস্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ সহ সুবিচার প্রার্থনা করছি।
এ ব্যপারে ভুক্তভোগীর অভিযুক্ত কুয়াডাঙ্গার ইকবালের কাছে জানতে চাইলে, তিনি বলেন এমন কোন কিছুই না। ওদের কোন জমি আমরা বিক্রি করি নাই আমরা আমাদের জমি বিক্রয় করেছি।

আরো এক অভিযুক্ত হাবিবকে মুঠোফেনে জানতে চাইলে তিনি ব্যাপারটি এড়িয়ে যেতে চান। তিনি ব্যপারটি সম্পূর্ন অস্বীকার করেন।
ভুক্তভোগীর প্রধান অভিযুক্ত বুলগান মিয়ার কাছে ব্যাপারটি মুঠোফেনে জানার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায় নাই। পরে জানতে পারলাম তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য ইন্ডিয়াতে আছেন।

থেকে আরও পড়ুন

থেকে আরও পড়ুন