রবিবার, ৩ মার্চ ২০২৪

আচরণবিধি লঙ্ঘন পঞ্চগড় -১ আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে শোকজ

পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি খাদেমুল ইসলাম

 

পঞ্চগড় -১ তেতুলিয়া, আটোয়ারী, পঞ্চগড় সদর এ ৩ টি উপজেলা নিয়ে সংসদ নির্বাচনী আসন।

নৌকার বিপক্ষে সমর্থন করলে হাড় ভেঙে দেয়ার হুমকি,প্রার্থীকে শোকজ
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নাঈমুজ্জামান ভূঁইয়া মুক্তাকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেয়া হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারণায় এক সমর্থকের দেয়া বক্তব্যে নৌকা মার্কা ও নৌকা মার্কার প্রার্থীর বিপরীতে সতন্ত্র প্রার্থীকে সমর্থন ও জনসংযোগ করলে হাড় ভেঙে দেয়ার হুমকি দেয়ায় তাকে এই শোকজ করা হয়।
পঞ্চগড়-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নাঈমুজ্জামান ভূঁইয়া মুক্তাকে শোকজ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে পঞ্চগড়-১ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান ও যুগ্ম জেলা দায়রা জজ মার্জিয়া খাতুন লিখিত ভাবে এ নোটিশ দেন।

শোকজ নোটিশে বলা হয়, নাঈমুজ্জামান ভূইয়া গত শনিবার রাত ১০ থেকে ১১টার দিকে কর্মীসমর্থকদের নিয়ে পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের পানিমাছ পুকুরী এলাকায় একটি নির্বাচনী প্রচারণার আয়োজন করেন। সেখানে নাঈমুজ্জামানের উপস্থিতিতে পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম পল্লব নির্বাচনী বক্তব্য দেন। এসময় আরিফুল ইসলাম নৌকা মার্কা ও নৌকার প্রার্থীর বিপরীতে কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থীকে সমর্থন ও নির্বাচনী সংযোগ করলে সেই সব সমর্থকদের হাড়হাড্ডি ভেঙে দিবেন বলে কর্মী-সমর্থদের নির্দেশ দেন এবং বিপরীত প্রার্থীর সমর্থকদেরকে হুমকি দেন। যার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ পায়। সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা লঙ্ঘন হওয়ায় তার কারণ বুধবারের মধ্যে দর্শানোর নোটিশ দেয়।

 

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নাঈমুজ্জামান ভূইয়া কারণ দর্শানোর নোটিশ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে মুঠোফোনে সাংবাদিকদের বলেন, যে বক্তব্যটির বিষয়ে নোটিশ করেছে সেটি আমার বক্তব্য ছিল না। তবে আমার মঞ্চে করেছে সেজন্য আমি এর দায় এড়াতে পারিনা। বুধবার সশরীরে হাজির হয়ে এর জবাব দেব।

তিনি আরও বলেন, আমার মনোনয়ন ঘোষণার পর কিছুসংখ্যক নেতাকর্মী সড়ক অবরোধ করলো, আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করলো, এমনকি দলের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করলো, তখন তো তফসিল ঘোষণা হয়েছিল। সেটাও নিশ্চয় আচরণবিধি লঙ্ঘনে পড়ে। এসব বিষয়টি তখন এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। এমনকি স্বতন্ত্র প্রার্থীদের লোকজন এখনও আমাদের বিরুদ্ধে নানান হুমকি দিচ্ছেন। এসব বিষয়ে সংক্ষুব্ধ হয়েই হয়তো দলের সাংগঠনিক সম্পাদক দলীয় যেসব নেতাকর্মী সুবিধা নিয়ে এখন আবার দলের বিরুদ্ধে কথা বলছেন তাদের উদ্দেশ্যে বলেছেন। তবে এধরনের কথা যেন কেউ আর না বলে সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে।

থেকে আরও পড়ুন

থেকে আরও পড়ুন