সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪

অবরোধ সংঘর্ষে ওসি সহ আহত ২৬ গ্যাসের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে

শাহাদাত হোসেন স্টাফ রিপোর্টার

 

 

গ্যাসের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ  করেছেন স্থানীয়রা এ সময় পুলিশ তাদের রাস্তা অবরোধ থেকে সরে যেতে বলে এ সময় পুলিশ ও স্থানীয়দের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।

এতে মুন্সিগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও গজারিয়া থানার ওসি পুলিশের ৮ সদস্য আহত হন এছাড়া পুলিশের  রাবার বুলেট ও টিয়ারসেলে  ২৬ জন আহত হয়। মঙ্গলবার পাঁচইমার্চ বিকেলে উপজেলা বাউশিয়া ইউনিয়নের বাউশিয়া বাসস্টানে এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় আহতরা হলেন মুন্সিগঞ্জ সদর গজারিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব খায়রুল হাসান। গজারিয়া থানার ওসি রাজিব খান।

এস আই আনোয়ার হোসেন। এস আই কামরুল। এস আই মাসুম মিয়া। কনস্টেবল কাঞ্চন। কনস্টেবল মোহাম্মদ আলী বিক্ষোভকারীদের মধ্যে আহত ২৬জনের মধ্যে সাতজনার পরিচয় পাওয়া গেছে তারা হলেন রোকেয়া বেগম ৩৫ মালেকা বানু ৭০ বানু পঞ্চান্ন পারভীন ৪৭ ইসরাক হোসেন ২২ আকাশ ২৪ রিয়াদ হোসেন ২৮। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায় গত ২৫শে ফেব্রুয়ারি কোন কিছু ঘোষণা ছাড়া গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয় তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ গ্যাস সরবরাহ চালুর দাবিতে মঙ্গলবার দুপুরে কয়েক হাজার নারী পুরুষ ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেন। খবর পেয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিক্ষোভকারীদের সাথেকয়েক দফা বৈঠক করে কিন্তু এতে কোন সমাধান পৌঁছাতে পারেনি।

এবং কোন সমাধানে পৌঁছাতে পারেনি পরে আবার তিনটার দিকে পুনরায় মহাসড়ক আবারও অবরোধ করে। পুলিশ আন্দোলনরতদের সরে যেতে বললে এতে পুলিশের সাথে স্থানীয়দের সাথে সংঘর্ষ বাদে। এতে পুলিশ সহ ২৬ জন আহত হন তাদের বিভিন্নভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেও কোন লাভ হয়নি বরঞ্চ তারা দেশি অস্ত্রসহ পুলিশের প্রতি আক্রমণ করেন।

পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে টিয়ারসেল ও রাবার বুলেট ছোড়ে বিষয়টি গজারিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খায়রুল হাসান বলেন আমরা তাদের অনেক বার বোঝানোর চেষ্টা করেছে কিন্তু তারা আমাদের কোন কথাই কর্ণপাতকরেনি তারা পুলিশের প্রতি হামলা চালায় এতে গজারিয়া থানার ওসি সহ ৮ পুলিশ সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে কয়েকটি টিয়ার সেল এবং শতাধিক রাউন্ড শটগানের গুলি ছোড়া হয়।

থেকে আরও পড়ুন

থেকে আরও পড়ুন